You are currently viewing Shared Psychosis

Shared Psychosis

  • Post comments:0 Comments

শুনতে অবাক লাগলেও মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যাও অন্য মানুষের মধ্যে ছড়াতে পারে। এরই নাম Folie à deux বা shared psychotic syndrome। যখন একজন মানসিক ভাবে অসুস্থ কিন্তু dominant character এর হয়, তখন তার সাথে ক্লোজ ইমোশনাল বন্ডে থাকা সুস্থ ব্যাক্তির মধ্যে  delusional status গড়ে তুলতে সক্ষম হোন।  এই কনসেপ্টটি ঊনবিংশ শতাব্দীতে ফ্রান্সে গড়ে ওঠে। এটি প্রায় সময় এমন ব্যক্তিদের মধ্যে দেখা যায় যারা সমাজ থেকে নিজেদেরকে আইসোলেটেড করে নিজেদের মধ্যে একটা ঘনিষ্ঠ বন্ধনে আবদ্ধ রয়েছে।  সাধারণত primary/dominant partner যাদের মূলত major depressive disorder/psychosis/schizophrenia /bipolar disorder আছে তাদেরকে দেখে secondary/submissive partner প্রভাবিত হয়ে থাকেন।

  • প্রকারভেদ : Folie à deux এ চার ধরনের প্রকারভেদ দেখা যায়।

১. Imposed psychosis :

এই টাইপে ডমিনেন্ট পার্টনার এমন একজনের মধ্যে তার সাইকোসিস ট্রানস্ফার করে যে আগে থেকেই সম্পূর্ণ সুস্থ ছিল। আর এই সমস্ত ক্ষেত্রে যখন সেকেন্ডারি পার্টনার , ডমিনান্ট পার্টনার থেকে আলাদা হয়ে যায় তাদের delusion ও ধীরে ধীরে গায়েব হয়ে যায়।

২. Communicated psychosis:

এই ক্ষেত্রে সেকেন্ডারি পার্টনার ডমিনেন্ট পার্টনার কর্তৃক প্রাপ্ত সাইকোসিস প্রথমে রিজেক্ট করে, কিন্তু ঠিক তার পরেই তাদের মধ্যে এমন একটা সিগন্যাল এর শুরু হয় যেখানে তারা ডমিনেন্ট পার্টনারের ডিলিউশন তো বটেই ,সেই সাথে নিজস্ব কিছু ডিলিশনও ডেভেলপ করে।

৩. Simultaneous psychosis:

এই ক্ষেত্রে একই সাথে দুই পার্টনার এর মধ্যেই সাইকোসিস ডেভেলপ করে। এটি বিশেষত মা – বাবার জন্য siblings এর মধ্যে প্রায় সময় দেখা যায়

৪. induced psychosis :

এই টাইপের দুইটি পার্টনার শুরু থেকেই সাইকোটিক থাকে কিন্তু পরবর্তীতে ডমিনেন্ট পার্টনার সেকেন্ডারি পার্টনারের মধ্যে নতুন নতুন ডিলিউশন আইডিয়া introduce করে।

  •   চলুন জেনে নেই কারা/কি এই রোগের জন্য রিস্ক ফ্যাক্টর হিসেবে কাজ করে:

👉 ফিমেইল gender

👉একাকীত্বতা

👉Secondary partner যদি language/visual difficulty এর জন্য কারো উপরে নির্ভরশীল হয়

👉পার্সোনালিটি ডিসঅর্ডার/ আগে থেকে কোন মানসিক রোগে ভুক্তভোগী

👉মদ্যপান অথবা অন্য যে কোনো ধরনের ড্রাগ এ আসক্তি

👉 যাদের IQ লেভেল কম।

  • এই রোগের লক্ষণগুলো জেনে নেই:

এই রোগে, যে ব্যক্তি দ্বারা অপর ব্যক্তি বা কোন একটি গ্রুপ প্রভাবিত হয় সকলেরই প্রায় একই রকম লক্ষণ পরিলক্ষিত হয়

👉ভিসুয়াল / hearing hallucinations

👉 অতিরিক্ত স্ট্রেস বা চিন্তা হওয়া

👉 ঘুম না হওয়া

  •  Outcome:

অন্যান্য সাইকোটিক ডিজঅর্ডারের সাথে ক্রিমিনোলজি খুব একটা সম্পর্ক না থাকলেও, shared psychotic syndrome এ ভুক্তভুগীরা usually criminality perform করে কারণ এই ধরনের রোগীরা সমাজ থেকে পৃথক থাকতে থাকতে মনে করে যে তারা জেলখানার কয়েদির মতোই জীবন যাপন করছে। এইজন্য তাদের মধ্যে এক ধরনের ভায়োলেন্স কাজ করে।

ইতিহাস ঘাঁটলেই আমরা ১৯৭৮ সালে Jonestown এ ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক Mass Suicide Mission সম্পর্কে জানতে পারি যেখানে, Jim Jones তার অনুসারীদের বিষপানে বাধ্য করেছিলেন। পরবর্তীতে অনুসন্ধানে এটি বের হয়ে আসে যে উনিও Folie à deux রোগে আক্রান্ত ছিলেন

  •    চিকিৎসা :

👉 এই রোগের চিকিৎসা অনেক সময় সাপেক্ষ এবং বছরের-পর-বছর কাউন্সেলিং দরকার পরে ।

👉 সেকেন্ডারি পার্টনারকে ডমিনেন্ট পার্টনার থেকে পৃথক করে ফেললে তাদের আরোগ্য লাভ কিছুটা সহজ এবং দ্রুততর হয়। এবং ডমিনেন্ট পার্টনার যেন কোন নতুন কোন সেকেন্ডারী পার্টনার এর সাথে সম্পর্ক গড়ে তুলতে না পারে, সেদিকে থেকেও তাদেরকে আইসোলেটেড করে রাখতে হবে

👉 সাইকো ফারমাকোলজি থেরাপি

যেকোনো ধরনের স্বাস্থ্য সমস্যাকেই আমাদের অবহেলা করা উচিত নয়। কারণ এটি পরবর্তীতে যেকোন প্রকট আকার ধারণ করতে পারে। আপনার যেকোন রকম মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা কিংবা কষ্ট থেকে প্রতিকার পেতে চাইলে অবশ্যই বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিবেন। 

Written By
Dr. Arny Majumder 
Associate , WSIF & BASOWPH

Reviewed and Edited by
Dr. Mir Nabila Ashraf and Jobaida Saba, WSIF & BASOWPH

Leave a Reply