You are currently viewing World Heart Day

World Heart Day

  • Post comments:0 Comments

আজ বিশ্ব হার্ট দিবস। জীবনের দৈনন্দিন ব্যস্ততায় হয়তো অনেক সময়ই আমরা স্বাস্থ্যকর নিয়মগুলো সচেতনতার সাথে মেনে চলি না এবং অবহেলা করি। শরীরে প্রতি দায়িত্বগুলো মনে করিয়ে হৃদ রোগ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করাই আজকের দিনের উদ্দেশ্য। একজন মানুষের মানসিক স্বাস্থ্য তার সকল ধরনের সুস্হতার ওপর প্রভাব ফেলে।সকল ধরনের মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার সাথে হৃদযন্ত্রের প্রবল যোগসূত্র রয়েছে।
যেই মানসিক অসুখ গুলো হৃদরোগের জন্য সহায়ক ভুমিকা পালন করে থাকে তা হলো-
১. মুড ডিসোর্ডার যেমন মেজর ডিপ্রেশন এবং বাইপোলার ডিসোর্ডার।
২. আ্যান্ক্সাইটি ডিসোর্ডার যেমন জেনেরাল আ্যান্ক্সাইটি, সোশাল আ্যান্ক্সাইটি, প্যানিক ডিসোর্ডার এবং বিভিন্ন ফোবিয়া।
৩. পোস্ট ট্রমাটিক ডিসোর্ডার।
৪. ক্রনিক স্ট্রেস।
৫. স্ক্রিটজোফ্রেনিয়া।
এছাড়াও, আ্যাডজাস্টমেন্ট ডিসোর্ডার, পার্সোনালিটি ডিসোর্ডার, মদ্য ও নেশাজাতক দ্রব্যঘটিত মানসিক অসুস্থতায় আক্রান্তদের হৃদরোগের ঝুকি ৩৫%-৯২% পর্যন্ত বাড়তে পারে।

এর কারন হিসেবে দেখা যায়, উপরের মানসিক অসুখগুলো হার্ট আ্যাটাক, স্ট্রোক এবং হার্ট ফেইলিওর এর কারন হতে পারে। এই সকল অসুখগুলো থেকে হার্টরেট এবং ব্লাডপ্রেসার বৃদ্ধি, হার্টে রক্ত চলাচল কমা এবং কর্টিসলের লেভেল বৃদ্ধি দেখা দিতে পারে। তাই মানসিক রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি হৃদরোগের ঝুকি বেড়ে যায়।

এই ক্ষেত্রে, যা যা করতে পারি-
১. মানসিক স্বাস্হ্যব্যাধি এবং হৃদরোগের লক্ষন জানতে এবং চিনতে হবে।
২. পেশাদার স্বাস্হ্যকর্মী বা চিকিৎসকের সাথে নিজের সম্ভাব্য হার্ট কন্ডিশন এবং মানসিক অসুবিধা গুলোর কথা জানাতে হবে এবং এর জন্য উপযুক্ত চিকিৎসার সমাধান গুলো শুনতে হবে। কারন অনেক সময় মানসিক অসুস্থতার জন্য ব্যবহৃত ওষুধ কার্ডিওমেটাবলিক রোগের উপর বিরুপ প্রভাব ফেলতে পারে। কিছু আ্যান্টিসাইকোটিক মেডিকেশন ডায়াবেটিস, হার্ট আ্যাটাক, স্ট্রোক ইত্যাদির সাথে জড়িত।
৩. নিজের পারিবারিক ইতিহাস এবং জেনেটিক ফ্যাক্টর গুলো জানতে হবে।
৪. যেই কারনগুলোতে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়তে পারে সেগুলো এড়িয়ে চলতে হবে।

শারিরীক ও মানসিক সু্স্থতা সুন্দর জীবন নিশ্চিত করে। শরীর ভালো থাকতে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি এড়াতে সচেতনতা এবং সুষম জীবন যাপনের কোনো বিকল্প নেই।

Leave a Reply