You are currently viewing Excessive obstinacy of the child: What is the real secret

Excessive obstinacy of the child: What is the real secret

  • Post comments:0 Comments

আমরা রক্ত-মাংসের মানুষ বলেই আমাদের বিভিন্ন ধরনের আবেগ-অনুভূতি থাকে। আমরা কখনো রাগ করি, কখনো খুশি হই, কখনো কাঁদি, কখনো আবার হাসি। এসবই স্বাভাবিক। একটি শিশুও তো আমাদের বড়দেরই মতো রক্ত-মাংসের তৈরি অনুভূতিসম্পন্ন মানুষ। তাহলে সে রাগ করলে, কাঁদলে আমরা কেন সেটাকে স্বাভাবিক ভাবতে পারিনা?

আমাদের বড়দের যখন খুব রাগ হয় বা আমরা কোন কারণে যখন খুব হতাশ হই বা কোন কিছু করতে চেয়ে করতে না পারি, তখন আমরা কি করি? আমরা কেউ কেউ চিৎকার করি, কেউ কেউ চুপ করে বসে/শুয়ে থাকি, কেউবা ঘরের জিনিসপত্র ভাঙচুর করি। বিষয়টা এমন যে, যেকোন ভাবেই হোক রাগটা আমাদের ভেতর থেকে বাইরে বেরিয়ে আসে বা আমরাই নিয়ে আসি৷ এবারে প্রশ্ন হলো আমরা  যারা রাগের সময় চিৎকার করি, কার উপর করি? বা যখন জিনিসপত্র ভাঙ্গি কাদেরগুলো ভাঙ্গি? সবার উত্তর আসবে নিজের ঘরের জিনিসপত্র আর নিজের মানুষদের উপর সেটা হতে পারে-মা-বাবা, ভাই-বোন, স্বামী-স্ত্রী, কাছের কোন বন্ধু।  কেন এদের সাথে? কেন বাইরের যে কারো সাথে বা প্রতিবেশীর সাথে গিয়ে আমার ব্যক্তিগত রাগ ঝাড়িনা? কারণ একটাই-আমরা খুব ভালোভাবে জানি তারা আমাদের রাগ সহ্য করবে না, আমরা তাদেরকে নিজের রাগ প্রাকাশের জন্য যথেষ্ট নিরাপদ মনে করিনা। কিন্তু যারা আমার আপনজন তারা আর যাই হোক আমাকে কিছুটা হলেও সহ্য করবে, বুঝবে এই আশা আমরা করে থাকি৷ তেমনি একটি শিশুও ঠিক এই ভরসায়, এই ভেবে তার রাগ, হতাশা, ক্লান্তি, ব্যর্থতার প্রকাশ তার  মা-বাবার সাথেই করে৷ মা-বাবার কাছেই সে এসব অনুভূতির প্রতিক্রিয়া প্রকাশকে বেশি নিরাপদ মনে করে৷

শিশুদের এই জেদ, রাগ, কান্না, এলোমেলো আচরণ এবং চিৎকারকে  বলা হয় #ট্যানট্রামস_বা_শিশুর_বদমেজাজ। এই ট্যানট্রামস সাধারণত #১২_থেকে_৩৬_মাস বয়সী (Toddler) বাচ্চাদের মধ্যে দেখা যায়। তবে ১৬-১৮ মাস বয়স থেকে এটা প্রায় নিয়মিত বিরতিতে হতে থাকে এবং ২ বছর বয়সে সর্বোচ্চ রূপ মানে খুব তীব্র আকারে দেখা দেয়। তাই এই দুই বছর থেকে তিন বছর সময়টাকে বলা হয় #Terrible_two বা বাংলায় এটাকে বলা যেতে পারে দুরন্ত দুই।

এবারে একটি ছোট্ট ঘটনা বলি। আমার মেয়ের ১৮ মাসের রুটিন চেকাপ শেষে ডাক্তার আমাকে একটা Care instructions দিলো। এখানে প্রায় প্রতিটি রুটিন চেকাপের পরই এরকম একটি নির্দেশিকা দেয় যাতে ওই বয়সী বাচ্চার যত্ন নেয়ার  কিছু টিপস থাকে। বাড়ি এসে সেই নির্দেশিকা পড়তে গিয়ে আমি তো অবাক, কারণ তাতে লেখা ছিলো ১৮ মাসের পর থেকে একটি বাচ্চা দিনে #৩০_বারেরও_বেশি_Misbehave বা খারাপ ব্যবহার করতে পারে৷ তার  মাসখানেক আগেই আমার মেয়ের  মাঝেমাঝে ট্যানট্রামস হওয়া শুরু হয়ে গিয়েছিলো। আর তা নিয়ে আমি একটু মানসিকভাবে প্রেশার ফিল করতাম। কিন্তু ওই ৩০ বারেরও বেশি কথাটি দেখে আমি খুব কৃতজ্ঞ হয়েছিলাম মনেমনে যে আমার মেয়ে এখনো সপ্তাহে একবারের বেশি করেনা!!

#কিভাবে_বুঝবো আমার বাচ্চার ট্যানট্রামস  হচ্ছে? ট্যানট্রামসের সময় সাধারণত শিশুরা-

*খুব কাঁদে, অল্প কান্না বা ঘ্যানঘ্যান দিয়েও শুরু করতে  পারে।

*চিৎকার করে, টানা চিৎকার করে কাঁদে। ১০ মিনিট থেকে ৩০ মিনিট বা তারও বেশি সময় ধরে এটা হতে পারে।

*হাত-পা ছুঁড়ে কান্না/চিৎকার করে, যেকোনো কিছুর দিকে পা ছুঁড়তে পারে।

*কখনো কখনো কেউকেউ আবার নিজের শ্বাস আটকে রাখতে পারে।

*জিনিসপত্র ভাঙতে পারে।

*কাঁদতে কাঁদতে বমিও করতে পারে।

*কেউকেউ আবার খুব আক্রমনাত্মক আচরণও করতে পারে!

#ট্যানট্রামস_কেন_হয়?

*ট্যানট্রামস একটি #স্বাভাবিক_আচরণগত_বিকাশের   একটি ধাপ। ঠিক যেমন একটি শিশু বসতে শিখে, হাঁটতে শিখে। কিন্তু এগুলো শিখতে গিয়ে হোঁচট খায়, পড়ে যায়, আঘাত পায় এবং একটা সময় পরে ঠিক শিখে যায়৷ আর ট্যানট্রামস হচ্ছে বাচ্চার মানসিক এবং আচরণগত আত্মনিয়ন্ত্রণ শেখার পূর্ববর্তী অনুশীলন বলা যেতে পারে।

* এই বয়সী বাচ্চাদের সামাজিক এবং ইমোশানাল বিষয়গুলো ডেভেলপ করতে শুরু করে এই বয়সে৷ এতে করে তারা বিভিন্ন নতুন নতুন বিষয়ের সাথে পরিচিত হতে শুরু করে এবং এর মধ্যে কিছু কিছু বিষয় তাদের নিয়ন্ত্রণ বা বুঝার বাইরে থাকে৷  এটা একটা বড় কারন ট্যানট্রামসের।

*১-৩ বছর বয়সী বাচ্চারা কথা বলতে শিখলেও তাদের সব আবেগ-অনুভূতি প্রকাশের মতো পুরোপরি দক্ষতা তখনো অর্জন করতে পারেনা৷ তাই নিজেদের প্রকাশের ক্ষেত্রে এই সীমাবদ্ধতা তাদেরকে হতাশ করে এবং বুঝাতে না পারার এই হতাশা থেকে তাদের বদমেজাজ দেখানো শুরু হয়।

*ট্যানট্রামস শিশুদের জন্য একটি উপায় যা দিয়ে তারা বড়দের নিজের অবস্থা বুঝাতে চেষ্টা করে, তারা বুঝাতে চায় তারা কিসের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।

* স্ট্রেস, ক্ষুধা, ক্লান্তি-এগুলোর কারনেও ট্যানট্রামস হয়ে থাকে।

*কিছু কিছু পরিস্থিতিতে বাচ্চা যখন খাপ খাওয়াতে পারেনা তখনো ট্যানট্রামস হয়ে থাকে।

*কিছু জোরালো অনুভূতি যেমন-ভয়, আতঙ্ক, অপমান, রাগ থেকেও ট্যানট্রামস হয়।

#কিভাবে_ট্যানট্রামস_হ্যান্ডেল_করবো?

ট্যানট্রামস প্রতিটি টডলারের ক্ষেত্রেই স্বাভাবিক আচরণ। আর এটা স্থায়ী নয়, একটা নির্দিষ্ট বয়সে শুরু হয়ে সাধারণত শেষও হয়ে যায়। তবে আমরা কিভাবে এটা হ্যান্ডেল করছি এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। এর উপর অনেকখানি নির্ভর করে এটা পরবর্তীতে আমাদের শিশুদের আচরণে কেমন প্রভাব ফেলবে।

বিশেষজ্ঞরা কিছু বিষয় সাজেস্ট করেছেন যা আমরা  মেনে চলতে পারি  ট্যানট্রামস ম্যানেজ করার ক্ষেত্রেঃ

১। সবার প্রথমেই এটা জানা দরকার যে #শিশুরা_ইচ্ছাকৃতভাবে_বা_আমাদের_কষ্ট দিতে এটা করেনা। তারা তাদের আবেগের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে বলে এমনটা হয়ে থাকে৷ আমরা অনেকেই ভাবি আমার বাচ্চা আমাকে জ্বালাতে এগুলো করে। কিন্তু এ ধারণা মোটেও সঠিক নয়। শিশুর নিজেরও এতে হাত নেই।

২। ‘শুধু আমার বাচ্চাই এমন ঘ্যানঘ্যান, কান্না, চিৎকার, রাগ, জেদ করে, অন্যদের বাচ্চারা কতো শান্ত’। এটা  এই মূহুর্তে মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলুন। #সব_শিশুদেরই_ট্যানট্রামস_হয়। অনেকটা সব দেশেই চাঁদ এবং সূর্য উঠার মতো সত্যি এটা। তবে কোন কোন দেশে যেমন বৃষ্টিপাতের পরিমানে কম-বেশি থাকে, তেমনি বাচ্চাভেদে ট্যানট্রামসের ফ্রিকোয়েন্সী এবং ধরণ কম-বেশি হয়ে থাকে।

৩। এটা মেনে নেওয়াই ভালো যে আমরা মা-বাবারা চাইলেও আমাদের শিশুদের সব ইমোশন কন্ট্রোল করতে পারবোনা। আমরা তাদেরকে এই সময়ে কিছু নির্দেশনা দিতে পারি এবং কোন দূর্ঘটনা যেন না ঘটে তা খেয়াল রাখতে পারি।

৪। আপনি আগে থেকেই একটি নির্দিষ্ট  প্ল্যান আর কিছু উপায় ঠিক করা রাখতে পারেন যে কিভাবে এই বিশেষ সময়গুলোকে সামাল দিবেন তাহলে অনেকটাই সহজ হয়ে যাবে আপনার জন্য।

৫। কোন বিষয়গুলোতে আপনার শিশুর ট্যানট্রামস হয় সেগুলো Identify  করে নিতে পারেন। এবং যতোটা সম্ভব সেগুলো এড়িয়ে চলার চেষ্টা করতে পারেন।

৬। যখনই ট্যানট্রামস হবে, আপনি আপনার শিশুকে তার অনুভূতি/ট্যানট্রামসের কারণ ভাষায়/শব্দে বলার জন্য উৎসাহিত করবেন। তাতে হয়তো  সমস্যা সমাধান করাটা আপনার জন্য সহজ হবে।

৭। যখন আপনার বাচ্চার ট্যানট্রামস হবে আপনি যতোটা সম্ভব একদম শান্ত এবং আন্তরিকতার সাথে তাকে ডিল করার চেষ্টা করবেন। গলার স্বর লো রাখবেন। যদিও বাচ্চার সাথে সাথে আপনিও রাগ দেখাতে শুরু করেন, মারধর করেন, দুষ্টু, বেয়াদব, অমুকের মতো, তমুকের মতো বলেন তাহলে তা পরিস্থিতিকে খারাপই করবে কেবল। এমনকি ভবিষ্যতে ট্যানট্রামসের ফ্রিকোয়েন্সী আরো বেড়ে যেতে পারে! তাই আপনার বিচলিত/অস্থির বা আক্রমণাত্মক হওয়া একেবারেই উচিৎ নয়!

৮। বাচ্চার এই সময়ে হাসবেন না বা এটা এমন কিছুই না বলে উড়িয়ে দেয়ার মতো আচরণ করবেন না। আমাদের বড়দের কাছে ট্র‍্যানট্রামসের কারণ খুব সামান্য মনে হতে পারে কিন্ত ছোট্ট শিশুদের জন্য এগুলো অনেক বড় কারণ। যেহেতু তাদের নিজের এই ইমোশনাল সিচুয়েশনকে ম্যানেজ করার ক্ষমতা এখনো তৈরি হয়নি, তাই তারা তাদের বিশেষ ইমোশন এভাবেই প্রকাশ করে থাকে। 

৯। শিশুর  জন্য একটি নির্দিষ্ট রুটিন করুন এবং সবসময় তা মেনে চলুন। রুটিনে চললে বাচ্চারা সাধারণত জানে বা বুঝতে শুরু করে কখন কী হতে যাচ্ছে, বা এখন তাকে ঘুম পাড়ানো হবে কিনা না খাওয়ানো হবে। আগে থেকেই একটা মানসিক প্রস্তুতি থাকায় ট্যানট্রামস কম হয়।

১০। যখনই ট্যানট্রামস শুরু হয় অনেকে শিশুকে খাবার বা অন্যকিছু দিয়ে ভুলানোর বা কান্না থামানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু এতে শিশুটি অবচেতনভাবে ভাবে তার ট্যানট্রামসকে পুরুস্কৃত করা হচ্ছে। তাই এটা না করাই ভালো। আপনি বাচ্চার মনোযোগ অন্যদিকে সরিয়ে দেয়ার চেষ্টা করতে পারেন।

১১। ট্যানট্রামস হলে বাচ্চাকে কোলে নিয়ে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে বসে থাকতে পারেন যতোক্ষণ না আপনার শিশুটি হাত-পা ছুঁড়া বন্ধ করে। তবে এটা করার সময় একদম উত্তেজিত হওয়া যাবেনা৷।  এটা বেশ ভালো কাজে দেয়।

১২। এই সময়টায় বাচ্চাকে কিছুক্ষণের জন্য তার রুমে একা রেখে আপনি চলে আসতে পারেন। কাছে রেখে মারধর করা বা বকা দেয়ার চেয়ে এটা অনেক ভালো। তবে খেয়াল রাখতে হবে ঘরটি যেন নিরাপদ হয়।

১৩। যখন ট্যানট্রামস শেষ হয়ে বাচ্চা শান্ত হয় তখন তাকে তার আচরণ নিয়ে বুঝিয়ে বলতে পারেন।

১৪। খেয়াল রাখতে হবে বাচ্চা যেন অতিরিক্ত ক্লান্ত, অতিরিক্ত ক্ষুধার্ত না হয়৷ বাচ্চা যেন ভয় না পায় এসব বিষয়ে আপনাকে অনেক যত্নবান হতে হবে।

১৫। শিশুর ভালো কাজের প্রশংসা করুন। তাতে সে বেশ পজিটিভ এবং predictable আচরণ করে। ইতিবাচক পরিবেশ আর ভালো আচরণের প্রশংসা পেলে শিশুরা ট্যানট্রামস কম দেখায়।

১৬। পাবলিক প্লেসে/বাসার বাইরে এই আচরণ মা-বাবাকে অনেক বেশি বিব্রত করে৷ ধরুন শপিং মলে গিয়ে আপনার শিশুটি হঠাৎ ট্যানট্রামস দেখাতে শুরু করে দিলো যতো দ্রুত সম্ভব সেখান থেকে বের হয়ে আসবেন। আর ভুল করেও তাকে শান্ত করতে কিছু দেবেন না যদি আগে থেকে তাকে তা দেয়ার কথা না থাকে।

১৭। মনে রাখবেন, এই ট্যানট্রামস এর সময়ে আমরা কিভাবে ওদের সামলাই তা কিন্তু ওদের জন্য একটা শিক্ষাও।  আমাদের ম্যানেজমেন্ট থেকে ওরাও শিখছে কিভাবে স্ট্রেস ম্যানেজ করতে হয়, কিভাবে সমস্যা ফেইস করতে হয়, কিভাবে নিজের কঠিন সময়কে সামাল দিতে হয়। তাই এটা আমাদের মা-বাবাদের জন্য শুধু ওদেরকে সামলানোই নয় বরং বাচ্চাদেরকে  শেখানোও যে কিভাবে, কোন পরিস্থিতিতে কি ধরনের আচরন করতে হয়।

১৮। শিশুকে সবকিছুতে ‘না না’ বললে শিশুরা আরো বেশি বেপরোয়া হয়ে উঠে করার জন্য। তাই যতোটা সম্ভব ‘না’ কম বলার চেষ্টা করতে হবে। বাচ্চাকে বিকল্প দিবেন। যেমন তুমি ‘আপেল খাও’ এর উত্তরে বাচ্চা না করতে পারে। তাই আপনি বলতে পারেন ‘তুমি আপেল খাবে নাকি কমলা খাবে’? এতে করে বাচ্চাটি ভাবে তার মতামত নেয়া হচ্ছে, এবং সে আর Confined মনে করে না নিজেকে।

বাচ্চাদের ট্যানট্রামস হলো বজ্রসহ ঝড় এবং মুষলধারে বৃষ্টি হওয়ার মতো। কখনো প্রচন্ড ঝড়-বৃষ্টির পর বাইরে বের হয়েছেন? চারদিক খুব  শান্ত আর শীতল হয়ে যায়না তখন? ট্যানট্রামসের পর শিশুরাও ঠিক তেমন শান্ত এবং শীতল হয়ে যায় যেন আপনি এই দুই মিনিট আগে দেখা বাচ্চাটির সাথে কোন মিলই খুঁজে পাবেন না।

তবে আশার কথা এই যে, এই ট্র‍্যানটামসের সময়কাল খুব ছোট (১২ মাস – ৩৬ মাস)। এই সময়টা যদি আমরা অতি সাবধানে, নিয়ম মেনে শিশুদেরকে ম্যানেজ করতে পারি তবে ঝড়ের পরের প্রকৃতির মতো শান্ত ও স্নিগ্ধ একটি সন্তান পাওয়ার আশা তো আমরা করতেই পারি, পারি না?

লেখাঃ শারমিন শামুন

Leave a Reply