• Post comments:0 Comments

আমি ঢাকা মেডিকেল কলেজ এ ৫ম বর্ষে পড়ি..বয়স ২৫ বছর… আমি ফ্যামিলির বড় মেয়ে কিন্তু আমার বাবা মা কারো সাথেই আমি কোন কথা শেয়ার করতে পারিনা..তারা সবসময় আমার সাথে ঘটা যেকোন জিনিস আমার দোষদেয় আর আমাকে অনেক বাজেভাবে জাজ করে..আমি ছোট বেলা থেকেই অনেক বেশি শাসনের মধ্যে বড় হই অন্যদের তুলনায়..তখন থেকেই আমি আমার নিজের কষ্ট সবসময় নিজের মধ্যে চাপিয়ে রাখতাম কাউকে বলতাম না..ক্যাম্পাসে আসার পর আমার ক্যম্পাসের এক সিনিয়র ভাইয়ার সাথে সম্পর্ক হয়..চার বছর হয়ে গেছে সেই সম্পর্কের. কিন্তু আমি অনেক সবসময় প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি ইমোশন এক্সপ্রেস করে ফেলি যেটা তার ভালোলাগেনা.. চার বছর পড়ে তার ইমোশন এক্সপ্রেস নরমাল অন্যদের মত হলেও আমি সেই শুরুর মতই আছি..অনেক বেশি কথা বলতে ইচ্ছা হয়,সারাদিন একটু কম সময় দিলে আমার খারাপ লাগে আর এরপর সেটা ঝগড়ার পর্যায়ে চলে যায় যেটা তার জন্য বিরক্তির কারণ হয়ে দাড়িয়েছে..অনেক বেশি পসেছিভনেস কাজ করে আমার তার ব্যাপার.. দিন দিন এই মানসিক চাপে শারীরিক ও মানসিকভাবে অসুস্থহয়ে পড়ছি..যেদিন এরকম হয় আমি ঘুমাতে পারিনা খেতে পারিনা সারাদিন একা শুধু শুয়ে থাকতে ইচ্ছা করে আবার তার সাথে সবকিছু ঠিক হলেই আমার সব ঠিক হয়ে যায়..এই অবস্থায় আমি নিজের ইমোশন কন্ট্রোল করার জন্য বা অন্যান্য কি আমি করতে পারি.. সঠিক হেল্প পেলে আমি খুবি উপকৃত হবো ধন্যবাদ।

Solution by an expert

প্রথমেই ধন্যবাদ জানাচ্ছি আপনি আপনার কষ্টের কথাগুলো আমাদের সাথে শেয়ার করেছেন।আপনার কথাগুলো পড়ে অনুভব করতে পারছি আপনি খুব কষ্টের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। আপনার লিখা পড়ে জানতে পারলাম আপনি আপনার পছন্দের মানুষটির প্রতি খুব দূর্বল এবং তার প্রতি নির্ভরশীল হয়ে পরেছেন এবং তার থেকে আপনার আশানুরূপ রেসপন্স না পাবার ফলে হতাশ হয়ে পরছেন এবং ইনসিকিউর অনুভব করছেন। আপনার পরিবারের কাছ থেকেও আপনি আপনার আশানুরূপ ভালোবাসা, যত্ন, শেয়ারিং পাচ্ছেন না। যার ফলে আপনার মধ্যে অনেক মানসিক পীড়া বেরে যাচ্ছে। আপনি একজন অভিজ্ঞ কাউন্সেলর এর সাথে কথা বলতে পারেন। একজন কাউন্সেলর আপনার মনের সব কথাগুলো ননজাজমেন্টাল হয়ে শুনবে এবং পাশাপাশি বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে আপনাকে মানসিক ভাবে প্রশান্তি পেতে সাহায্য করবে এবং সিচুয়েশনের মধ্যে কিভাবে মোকাবেলা করতে হয় সেই বিষয়ে সাহায্য করবে।

Leave a Reply