আমার খুব ইচ্ছা ছিল বিড়াল পালার কিন্তু আম্মু পছন্দ করেনা দেখে সাহস পাইনি। একদিন আমার সাইকাট্রিস্ট বললেন পেট রাখার। পরে সাহস করে বিড়াল পালা শুরু করলাম। পুটুকে আমি দত্তক নিয়েছি এক ভাইয়ার থেকে এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি। ও কালো দেখে সবাই প্রথমে ওকে মেনে নিতে পারেনি তার উপর করোনার আতঙ্ক। পরে সবাই ওর মায়া জালে মুগ্ধ হয়ে যায় এবং বাসার সবাই এসে ওর সাথে খেলে।
পুটুকে দত্তক নেওয়ার আগে আমাকে ডাঃ পেসারের মেডিক্যাশন দেন। পুটুর সাথে সারাদিন থাকা হয়। যখন আমার প্যানিক এট্যাক বা এনযাইটি এট্যাক হয়, পুটু আমাকে অনেক ইমোশনাল সাপপোর্ট দেয়। ও আমার পাশে শুয়ে থাকে, আমাকে রিলাক্স করার চেষ্টা করে। এতদিন একাই ডিল করতাম, মাঝেমাঝে হাপিয়ে পরতাম। পুটু পাশে থাকায় অনেকটা স্বস্তি বোধ করি এখন। আলহামদুলিল্লাহ আমার পেসার ও নরমালে চলে এসেছে।
লাইফে পেট থাকা একটা ব্লেসিং। ওরা এতটা নিঃস্বার্থ ভাবে ভালোবাসে আর এতটা ইমোশনাল সাপোর্ট দেয় যে বলা বুঝানো যাবেনা।
By: Kulsum Siddique