মেয়েরা কেনো ইন্ডিপেন্ডেন্ট হতে চায় জানেন? কারন ছোটবেলা থেকেই তারা ডমিনেটেড হতে থাকে, “তুমি পারবানা,তোমার ভাইয়াকে করতে দাও” “মুরগির রান টা তোমার ভাইয়ের জন্য রাখো” “মাছের বড় পিস টা নিওনা ওইটা তোমার ভাইয়ের জন্য” “একা যেওনা, তোমার ভাই তোমাকে দিয়ে আসবে” প্রতিটা ফ্যামিলি ই কিন্তু চায় মেয়ে পড়ালেখা করুক, প্রতিষ্ঠিত হোক কিন্তু অন্যদিকে ছোটবেলা থেকেই চোখে আংগুল দিয়ে দেখিয়ে দেয় “তুমি মেয়ে,তুমি দুর্বল,তুমি স্যাক্রিফাইস করো,তোমার অংশীদারিত্ব কম” প্রতিটা পরিবারে মা একটা বয়সে মেয়েকে বলে “রান্নাঘরে আসো, ঘরের কাজ শিখো” অন্যদিকে ছেলেকে প্লেট ধুতে দেখলেও বলবে “রাখো বাবা ,আমি করে দিচ্ছি” অথচ ঘরের কাজ, রান্না-খাওয়া কিন্তু সবার ব্যাসিক নিড! একটা মেয়ে যখন বড় হয়, বর্তমান যুগে বেশিরভাগ নিজেই পছন্দ করে বিয়ে করে, নিজের জামাইটাকে নাহয় আগে থেকে জানলো,বুঝলো, কিন্তু শ্বশুরবাড়ির প্রত্যেকটা মানুষ তার কাছে নতুন, একেকজনের চিন্তা চেতনা একেকরকম… এদিকে নিজের পরিবার ছেড়ে নতুন একটা পরিবেশে যাওয়াটাই কত বড় একটা স্যাক্রিফাইস, আবার শ্বশুর বাড়ির সবার আলাদা আলাদা চাহিদা বুঝতে বিয়ের পরদিন ই হাঁপিয়ে যেতে হয়! আর যত দিন যায় বউ এর তত দোষ বের হতে থাকে, শাশুড়ি ছেলের বউ কে শত্রু ভাবতে থাকে, ননদরা ভাইয়ের বউকে সুযোগ পেলে একটু ব্যাংগরসাত্মক খোঁচা না দিলে কি আর চলে! ওমুক ইলিশমাছের পেটি খায় তাকে পিঠের মাছ কেনো দেয়া হলো, তমুক মুরগির রান খায় তাকে বুকের পিস কেন দেয়া হলো… আর এইসবের ভীড়ে ছেলের পছন্দ করা বউকে “ছেলের সাথে মানায় না,দেখতে বুড়ি লাগে, আমি হইলে পুতুল বউ খুঁজে আনতাম,তোমাকে কি আমরা নিজ ইচ্ছায় আনসি নাকি” তো না বললে আর ষোলকলা পূর্ণ হয়না, কি বলেন? এসব শুনে শুনেই একটা মেয়ের জীবন কেটে যায়, তার কাং্খিত স্বাধীনতা আর ধরা দেয়না, একটা সময় সেও সেই টিপিক্যাল নারীতে পরিনত হয়, নিজের মেয়েকে বলে “মুরগির রান টা ভাইয়ের জন্য রাখো” নিজের ছেলের বউকে বলে “আমি আমার ছেলেকে কোনদিন পানিটাও নিজে ঢেলে খেতে দেইনাই” Its a vicious cycleকিন্তু বর্তমান মা দেরকে নিয়ে আমি খুব আশাবাদী, একটা অথর্ব পুরুষজাতি তৈরী না করে অনেকেই ছোটবেলা থেকেই খুব সুন্দর করে ববাচ্চাদেরকে ব্রট আপ করছেন, তাদেরকে অন্তর থেকে শ্রদ্ধা ও ভালবাসা