You are currently viewing We don’t have that “Y-CHROMOSOME”

We don’t have that “Y-CHROMOSOME”

  • Post comments:0 Comments

আমি সাম্যের গান গাইতে আসিনি।

সেটা কেবল বছরের ওই একটা দিনেই মানায়,ঐ যে নারী দিবস যাকে বলে!!!

কিংবা নজরুলের কবিতায় শব্দটা বড় বেশি মানানসই, বিদ্রোহী কবি বলে কথা!!!

নারীরা বুদ্ধদেবের চারুমতি হতে গেলে কিংবা শেষের কবিতার লাবণ্য হলেই যত ঝক্কি!

দিন শেষে তাকে নীলাম্বরি,কালোকেশি,সুদর্শনা বেশেই ফিরতে হয়।

দুধে আলতা রং,কাজল কালো চোখ,মিষ্টিভাষিনী।

মুখে যদি দুই একটা গালি চলে আসে,তবেই তুমি শেষ।

“দেখেছো মেয়েটার অবস্থা!!! কী যে শিক্ষা পেয়েছে!!!”

মজবুত দক্ষ কর্মঠ নয়, স্নিগ্ধতা আর ছিমছাম রূপেই তাকে বেশি মানায়।

নারী তাই জীবনের একটা সময় শেষ করে দেয় এই সাজসজ্জাতেই।

না না,আমি বলছি না আমি কোন ব্যতিক্রম।

আমিও সেই XX ক্রোমোজমধারীদেরই দলে।

সমাজব্যবস্থার পুতুল আমরা সবাই।

জীবন যেভাবেই কাটুক,

Frontal lobe এর দক্ষতায় যত সুন্দর কাজই যে করুন,

দিন শেষে হেঁসেলের বিদ্যার চাইতে বড় আর কোন গুণ হতেই পারেনা।

পারফেকশনের মাপকাঠি সেটাই হয়।

Afterall,we don’t have that “Y-CHROMOSOME”!!!

Yes,we don’t have that special feature.

Even Our ovums are countable.

At birth,few millions…

At puberty, few thousands…

By the age of 40,we start to lose all of our ovums.

আমার এক বান্ধবী হিসাব করে menstrual cycle এর। যখন painless তার মানে anovulatory হওয়ার চান্স বেশি।একটা ovum বাঁচলো!!! 😄😄😄

কি অদ্ভুত, তাইনা??

আমি তাই সাম্যের গান গাইতে আসিনি।

যদিও আমি female foeticide এর সম্পূর্ণ বিপক্ষে,

কিন্তু এই আমি তারপরেও দোয়া করি,এই সমাজে যেন কম মেয়ে জন্ম নেয়।

দুই-তিন ছেলে জন্ম নেওয়ার পর যখন কেউ বলে,”হ্যাঁ, অনেকদিন থেকেই মেয়ের বড় শখ। তাই ভাবলাম,একবার চেষ্টা করি”

কথাটা শুনলে সার্জন হিসেবে,ডাক্তার হিসেবে নয়,বরং এক নারী হিসেবে বড্ড কষ্ট পাই।

অথচ মেয়ে জন্ম দিতে দিতে ফুটবল টিম বানানো যায় শুধুমাত্র বংশের বাতির অপেক্ষায়।

Afterall,It’s “Y-Chromosome”

আমি তাই চাই,এই ঘুণে ধরা সমাজে মেয়েরা কম জন্ম নিক।

কমে যাক মেয়েদের সংখ্যা।

নাহলে সে কিভাবে বাইক চালিয়ে বিয়েতে গেলো সেটা নিয়ে জাত গেলো,ধর্ম গেলো বলে হায় হায় করবে তারাই,

যারা কিনা নিজেরা এক ওয়াক্ত নামাজ কাজা করতে ভয় পায়না,

সেই সব ধর্মের রক্ষকরা যারা কিনা নিজেরাও জানেনা ধর্ম পালনের সঠিক পথ।

না,সবাই এক না।

এবং এটাও বলছি না,যা ঘটছে তার সবটাই সঠিক।

আমি শুধু বলছি আমাদের পচন ধরা সমাজের কথা।

যে সমাজ বিপদে পড়লে ফিরে তাকায় না,সেই সমাজ।

যে সমাজ সাম্য মানে না,সেই সমাজ।

যে সমাজের কাছে মেয়েদের হেঁশেল ছাড়া আর কোন জগৎ থাকতে পারে না,সেই সমাজ।

যে সমাজে মেয়েদের সব গুণের শেষ সীমানা “সংসারী” ট্যাগকে বানায়,সেই সমাজ।

আজ তাই কাজী নজরুল ইসলামের সুরে আমি সাম্যের গান গাইতে আসিনি।

আজ আমি লাবণ্য আর চারুমতির কণ্ঠ রুদ্ধ করে দিতে এসেছি।

আজ আমি বলতে এসেছি,

“নারী তুমি দিন শেষে বংশের বাতি নও,যতই তুমি সেই বাতি ধারণ করো তোমার গর্ভে।”

“নারী তুমি ছেলেবেলার সেই পুতুল,যাকে সুন্দর করে সাজিয়ে রাখা যায় ।”

“নারী তোমার চোখের কোণের কালি তোমাকে বিবর্ণ করে তোলে।তোমাকে হয়তো অসুন্দর লাগে তখন।”

“নারী তুমি মজবুত নয়,মমতাময়ী হয়েই থাকো”

“নারী,তুমি ঐ একটি দিন নিয়েই খুশি থাকো যাকে তুমি নারী দিবস নামে জানো। বাকি দিনগুলো কার তাহলে???”

By: Dr Nazmun Naher Khan

Leave a Reply