চা/ কফি এমন একটা ব্যাপার যাকে আমরা প্রতি বেলা, প্রতিদিন, সারাবছর ভালোবাসি। আমরা অনেকেই চায়ের সাথে সুন্দর মুহূর্তকে ক্যামেরা বন্দি করি। অনেকে আবার করি চা ফটোগ্রাফি। কালকে ভালোবাসা দিবস, তাই চলুন আমরা যারা চা প্রেমি আছি আমাদের ভালোবাসা প্রকাশ করি চায়ের কাপের সাথে।
জীবনে আমার বন্ধুর সংখ্যা একেবারে শূন্যের কোঠায়, কাজে আড্ডা দেয়া বা গল্প করার মানুষও নেই। খালি টেবিলে একা বসে মন ভালো করার একমাত্র অবলম্বন এক কাপ চা।
Sit , sip & forget all my troubles
তারপর? তারপর অনেককিছু! একটা জানালা মাকড়শারজালে জড়ানো একটা গ্রিল একটা বিকেল, ছেয়ে যাওয়া একটা সূর্য'র আলো, একটা মুঠোফোন, এক কাপ চা আর একটা অগোছালো মনের মানুষ
বৃষ্টি আর চা দুটোই আমার অসীম ভালোবাসার বস্তু।আর দুটো যখন একসাথে পেয়ে যাই তখন তো আর কথাই নেই।একদম ছোট্টবেলা থেকে চাপ্রেমী আমি।আম্মু আব্বু সন্ধ্যায় একসাথে বসে চা খেত যখন, ছোট্ট আমি গিয়ে বলতাম “আম্মু তা(চা) দাও” টিনেজ লাইফ বারান্দায় বসে এমপিথ্রি প্লেয়ারে “রিমঝিম এ ধারাতে” শুনতে শুনতে বৃষ্টি দেখতাম আর চা খেতাম।এখন ভার্সিটিতে এসে চা ছাড়া না শুরু হয় দিন, না জমে আড্ডা, না কাটে একাকী বিকেল।
চায়ের জন্য ভালোবাসা আজীবন......
আমি খুব চা পাগল মানুষ। আমার কাছের দু চারজন মানুষ জানে আমার বিভিন্ন রকমের চা সংগ্রহ আর চা সম্পর্কিত জিনিস সংগ্রহের ব্যাপারে আমি কেমন করি। আর চা যখন পান করতে বসি তখন তা শুধু পানেই সীমাবদ্ধ থাকেনা..আমি নিজের মতো করে তা আস্বাদন আর অনুভব ও করি তা যতই তাড়ায় থাকি। আমার বিভিন্ন রকমের চা পানে কোন সমস্যা নাই তা যতই বিস্বাদের হোক।তবে হ্যাঁ, মুড আর আবহাওয়া অনুযায়ী চা পানের মজাই আলাদা। চা আমার কাছে একটা শিল্পের মতো তা অনেকের কাছেই শুধুমাএ পাগলামি..
I can’t keep calm when we are talking about tea
চায়ের জন্য আমার যে কতটা ভালবাসা তা আমায় যারা চেনে তারা জানে
বিদেশে একা থাকার কারনে সময়ে সময়ে এই চায়ের কাপটি আমায় দিয়েছে সাহস, নির্ভরতা, বন্ধুত্বের হাত, ভালবাসার ছোয়া
আমার সাফল্য যেমন দেখেছে তেমন আমার কান্নার সাক্ষীও এই চায়ের কাপটি
সে আমার গল্প শুনে যখন কেউ আমার কথা শুনার সময় পায় না
আমার মুখে ছোট্ট একটা তৃপ্তির হাসি এনে দেয় যখন আমি ক্লান্ত শরীরের বাসায় আসি
চায়ের কাপের চুমুক দামি স্পা এর চেয়েও তাড়াতাড়ি সব আড়মোড়া ভেঙে দেয়
আমি তার কাছে সত্যিই অনেক ঋণী
ভালবাসি ভালবাসি
Here’s mine from 2016, Will share some more..!!
অবাক চা পান।
গত দেড় বছরে ওজন কমিয়েছি প্রায় ৩০ কেজি।কমাতে পারিনি যেটা,সেটা হচ্ছে চা পান।👀
অনেক গ্রুপে অনেক জায়গায় বলে চা খাওয়া যাবে কিনা!! অনেক স্লো হয় ওয়েট লুসের জার্নি কিন্তু দুধ চা বাদ দিবো? কখনওই না।আমার আবার একটা ব্যাপার আছে।দুপুরের খাওয়া শেষ করে শুক্র-শনিবার যখন দুধ চা নিয়ে টিভির সামনে বসি! নিজে নিজেই বিড়বিড় করি,"আহ!! বেহেশত!!! এই সময়টা শুধু আমার।কীভাবে এক কাপ চায়ের সাথে মানসিক স্বাস্থ্য এর মত একটা বড় জিনিস জড়িত থাকতে পারে?
স্বপ্ন বাড়ি যাচ্ছে আমার।কাচের জানালা দিয়ে বাইরে বৃষ্টি দেখছি,আর হাতে চা নিয়ে মায়ের কাছে পৌছানোর অপেক্ষা......
মন ভালো কিংবা খুব মন খারাপ- দুইটা সময়ই আমার চা লাগবে। প্যান্ডেমিক এর শুরুতে যখন লকডাউনে সবাই ঘরবন্দী, আমি তিন বেলা চা খাওয়া শুরু করলাম। আবার খুব মন খারাপ লাগলেও চা-ই ছিল ভরসা৷ সবথেকে মজার ব্যাপার হলো চা আমি খুব পচা বানাই। তাই চা বানানোর দায়িত্বটা থাকতো পার্টনারের। দুজন ছোট্ট বারান্দাটায় বসে চায়ের কাপে চুমুক দিতে দিতে আকাশ দেখতাম, গল্প করতাম। এখনও সন্ধ্যায় এক কাপ চা খেতে খেতে আমরা গল্পটা করি! চা নিয়ে আরও অনেক গল্প আছে তবে সেটা একটু বেশি মন খারাপের তাই আর লিখলাম না।
চা প্রেমী হিসেবে আমার গল্পটা অনেক অদ্ভুত। ছোটবেলা থেকে পুরান ঢাকায় বড় হওয়ায় সন্ধ্যার নাস্তা বলতেই ছিল চা আর বাখরখানি। এদিকে আমার মা ছোটদের চা খাওয়ার ব্যাপারে ঘোর বিরোধী। অনেক কান্নাকাটি এবং নানা নানুর অনুরোধে এক কাপ চা পেতাম। অনেক সময় “আমার থেকে খেও” বলে, সেই চা নিজেরাই খেয়ে ফেলতো। এরপর যখন বড় হলাম, চা খাওয়াতেও কোন বাঁধা রইলোনা। তবে ছোটবেলার সেই এক দুই চুমুকে যে তৃপ্তি ছিলো তা এখনের হাজার চুমুকেও পাইনা।
কফি আমার খুবই পছন্দের। রোজ সকালে উঠে আমি সবসময় কফি নেই। আগে দিনে ২-৩ কাপ নিতাম কিন্তু high level anxiety জন্য caffiene কমাতে হয়েছে। তাই এখন রোজ ১ কাপ নেওয়া হয়। কফি ছাড়া নিজেকে খুবই অচল মনে হয় কিছুই করতে পারিনা।
আমার মন ভালো থাকলে কফি নেই, মন খারাপ থাকলেও কফি আর চরম মাইগ্রেনে কফি আমার চির সাথি
আজ ভ্যালেন্টাইন ডে উপলক্ষে ছোট বোনের সাথে বের হয়েছিলাম। ছবিগুলো ওই তুলে দিলো।
আমার বাবার বাসায় আমাদের কারোই চায়ের নেশা ছিলো না। চায়ের চল ছিলোই না বাসায়। চা পাতা কেনা হলে দিনের পর দিন পরে থাকতো! এ কারণে চা বানানোও শেখা হয়নি কখনো।
আমার শশুড়বাড়িতে আবার চায়ের নেশা হুলুস্থুল। আমার শশুড় দিনে ১০-১২ কাপের বেশি চা খান, আমার হাজবেন্ড মিনিমাম ৩ কাপ। এদিকের আত্মীয়রাও চা প্রিয় মানুষ। বিয়ের পরপর তাই চা বানাতে না পারার কারণে সবার অনেক কথা শুনতাম। সেই কথা শোনা, বকা শোনা মেয়েটার চা আজ আলহামদুলিল্লাহ অনেক প্রশংসা কুড়ায়। সবাই আমার চায়ের জন্য পাগল। চা বানানো শেখার চক্করে পরে আমিও আজ চা খোর। চা খোর হতে হতে আমার ছোট্ট বিজনেসের একটা অংশেও আছে সিলেটের মজাদার চা পাতা, আলহামদুলিল্লাহ।
আমার অসংখ্য প্রিয় ছবির মধ্যে এ দুটো ছবি স্পেশাল। প্রথম ছবির কুকিজ, চা দুটোই আমার হাতে বানানো, আমার বিজনেসের চা পাতা দিয়ে। বিজনেস পোস্ট হিসেবে যখন এই ছবি আপলোড করি, গণহারে চা পাতার সাথে কুকিজের অর্ডার ও পেয়েছিলাম, যদিও রাখিনি অর্ডার।
চা /কফি দুইটাই মারাত্মক পছন্দ আমার। সকালবেলা শুরু হয় র চা বা ব্লাক কফি দিয়ে।লাঞ্চের পর যেকোন হার্বাল টি, সন্ধায় একটু কড়া করে কফি।
আলহামদুলিল্লাহ! ইন্সমনিয়ার মতো কঠিন ব্যামো ক্যামোমিয়াল টি খেয়ে আয়ত্তে এনেছি।
চা- কফি দুটোই ভীষণ ভালোবাসার, তবে কফিটা একটু বেশি। সেই ক্লাস সিক্স থেকে, কফি ছাড়া অামার চলেই না, যদিও এখন সারাদিনে মাত্র দুইবার খাওয়া হয়।
বিশেষ করে সারাদিনের ব্যস্ততা শেষে ক্লান্তি জড়িয়ে কড়া একমগ কফি হাতে ব্যালকনিতে এসে দাঁড়ানোর সময়টা অামার একান্তই নিজের সময়।
আমার আনন্দগুলোকে উদযাপন করি কফিতে, কষ্ট বা মন খারাপটুকুও ভাগাভাগি হয় কফির সাথে। 'Coffee doesn’t ask silly questions, coffee understands..... ! '
কফি আমার শ্রেষ্ঠ বন্ধু, T.S. Eliot এর ভাষায় বললে, "I've measured out my life with coffee spoons....."
আজকে আমি চা প্রেমী একজন মানুষ। ঠিক কবে থেকে আমি চায়ের প্রেমে পড়েছি সেটা বলা কিছুটা মুশকিল হবে কিন্তু আমার ছোটো খালামণি বলতো, যখন আমি বসতে শিখি তখন থেকে খালামনির চায়ের কাপে চুমুক দিতে চাইতাম। তো সবাই বুঝতেই পারছেন আমি কতটা চাখোর!!!
আমি শুধু যে চা খোড় তা কিন্তু না,আমি কিন্তু অনেক ভালো চা ও বানাই তো যারা আমার হাতের চা খান নি, চলে আসুন আমার বাসায় আর যারা খেয়েছেন তারা একটু প্রশংসা করেন আর কি.........
চা!!! শব্দটা যেমন অনেকের কাছে নেশার মতো... চা চাইই চাই। আমার সেরকমটি নয়। আমার ভালো লাগে চা বানাতে.....টগবগে ফুটে ওঠা পানিতে চায়ের পাতা যখন রঙ ছড়ায়..... হালকা কমলা থেকে গাঢ় হতে হতে লাল... কালচে লাল... মুগ্ধ আমি চেয়েই থাকি। আর লেবুর রসে সেই রঙ যখন সোনালী আভা ছড়ায়... আহ!!
ছবিটি এক ছুটির দিনে আমার বারান্দায় রঙ চায়ের আয়োজনে।
চাখোর হলেও তেমন কোন চাগ্রাফি নেই তবে যা পাওয়া গেলো তাই সই।চা বলতে বুঝতাম আমরা পিঠেপিঠি চার খালাতো ভাই বোন সন্ধ্যে হলে পুরি,মোগ্লাই,বিস্কুট বা নাস্তার সাথে বড়দের মত খুব একটা ভারিক্কি ভাব নিয়ে কাপ নয় মগ ভর্তি চা খাওয়া।আমাদের মধ্যে যে সবচেয়ে বড় সে পড়তো ৫ম শ্রেণীতে।আমি ছিলাম সবচেয়ে ছোট।কিন্তু চা খাওয়া আমাকে শেখালো আমার হোম টিঊটর।৮ম শ্রেণীতে এক ছোকরা টাইপের ছেলে হঠাৎ শিক্ষক হয়ে এলেন।আর জানালেন আজ থেকে তোমার ১০/১১ টায় ঘুম মাটি বাপু।এমন পড়া দিয়ে যাব চাইলেও ঘুমাতে পারবে না।সেজন্য শিখিয়ে দিলেন বেশী লিকার দিয়ে রং চা খেতে।আমিও প্রথম দিন পড়া শেষ করার ভয়ে ঠান্ডা আর চিনি ছাড়া চা খেয়ে সারারাত পড়ে পার করে দিলাম।এই ছিলো শুরু।এরপর উনি আমাকে চিরতার ন্যায় ব্ল্যাক কফি খাওয়া শিখিয়েছিলেন।এখন তো অন্তত ২ বেলা চা না হলেই নয়।
চা আর কফি! কারো কাছে নেশা, কারো কাছে প্রিয় কিন্ত আমার কাছে পুরোই ভালোবাসা
আর লাইফ সেভার! যখন কোন হেল্পিং হ্যান্ড ছাড়া ছোট্ট ছানা কে টেক কেয়ার আর যৌথ সংসার সামলিয়ে আইডেন্টিটি তৈরীর অসহনীয় পরিশ্রম করতাম তখন এক কাপ কফি কিংবা দুধ চা কিভাবে যে ক্লান্তি কমিয়ে দিতো!!দিনের ক্লান্তি ভুলে রাতের সাথী
আর এখন তো অফিসের সাথী
শীতের সকালের সোনামাখা রোদেই হোক কিংবা শীতের সন্ধ্যায় কম্বলে মুড়ি দিয়ে বই পড়ায় আমার প্রিয় সঙ্গী চা। আর এই চায়ের সাথে বই এর যুগলবন্দীর সঙ্গ আমার সব চেয়ে প্রিয়৷ চা টুকু শেষ হয়ে গেলে, আফসোস হয় সব সময়ই আর খালি মনে হয়, বই শেষ করা পর্যন্ত চা থাকবে চায়ের কাপ কত বড় হলে!
আমার প্রতিটা আড্ডার মুহূর্তে নিজের ছবি না থাকলেও চা/কফির কাপগুলো স্মৃতি হিসাবে অবশ্যই ক্যামেরাবন্দি হবে কারণ গ্রিন টি, রং চা, কফি বলুন আর মশলা চা, হাতে একটা কাপ থাকবেই আমার এতটাই চাপ্রেমি মানুষ আমি
সবাইকে ফাগুনের শুভেচ্ছা। নিজের হাতের বানানো চা আমার একটু ও পছন্দ না।দোকানের চা ভালো লাগে অনেক। আমার বাসায় কোন চা এর কাপ বেশির ভাগ ই একটা অথবা ২টা করে সেট। ১২/৬ চা এর কাপ এর সেট আলসেমি করে কেনা হয়নি কখনো।
আমি যখন ছোট ছিলাম, বিরাট যৌথ পরিবারে সন্ধ্যা নামতেই চা এর আসর বসত। আমি আমার ছোট একটা বাটি নিয়ে সবার পায়ে পায়ে ঘুরতাম এক দুই চামচ চা যদি কেউ দেয়, এই আশায়। আমার নিষ্ঠুর পরিবার বেশিরভাগ সময়ই দিতে চাইত না। আম্মু ছিল আরও এককাঠি বেশি। একবাটি দুধে চোখে দেখা যায় না এই পরিমাণ চা এর ফোঁটা ঢেলে বলত, এই নে চা খা। সেই থেকে ঠিক করে রেখেছিলাম, আমি একদিন বড় হব, বিরাট একটা চায়ের মগ কিনব, যত ইচ্ছা চা খাব। কে আমারে আটকায় দেখি। ছবিতে আমার বড় হয়ে নিজের টাকায় কেনা চা ও চায়ের কাপ। আশ্চর্যজনকভাবে আমার ৭ মাসের মেয়ে ও চা দেখলে খুবই আনন্দদিত হয়ে যায় এবং তার টানাটানিতে কিছুদিন আগে আমার এই প্রিয় মগ চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে গেছে
চা কি আর একা খাওয়ার জিনিস!
তাই দুই কাপ চা ! যা কিছুই হয়ে যাক, সকালে চা লাগবেই আমার! আর অতি অবশ্যই দুধ চা!
চা , বিকেলবেলা , বৃষ্টি র সাথে স্মৃতি রোমন্থন এর একটা অদ্ভুত মায়ার সম্পর্ক আছে । চা নিয়ে জানালার পাশে বসলেই আমি আগের দিন গুলাতে হারিয়ে যাই । আমাদের ছোটবেলা টা একদম গাছের নতুন পাতার মতো .......এতো রঙিন , সতেজ আর অকৃত্রিম । এই রং টা আমাকে বড্ড পেছনে টানে । শুধু ফিরে যেতে ইচ্ছে করে....
আমার ফিরে যেতে ইচ্ছে করে মা র মশলার গন্ধভর্তি আঁচলে মুখ লুকানোর জন্য...আমার ফিরে যেতে ইচ্ছে করে হরতালের সময় বাবার সাইকেল এর পেছনে বসে স্কুল এ যাওয়ার দিনগুলোতে ...আমার আবার এরকম শীতের দিনে বিকেলবেলা ঠাকুরমা আর বোনের সাথে গা ঘেষাঘেষি করে কম্বল মুড়ি দিয়ে ঘুমাতে ইচ্ছে করে ।
ইচ্ছেরা সব যত্নে মোড়ানো থাক !! সবাইকে বসন্তের শুভেচ্ছা আর ভালবাসা
দুধ চা আর Raw চা এর মধ্যে পছন্দের তালিকায় কিন্তু দুধ আর চিনির পরিমাণ বেশি দিয়ে দুধ চা ই। পছন্দ থাকলেও তো এখন খেতে পারি না। এখন চিনি ছাড়া raw চা টাই খাওয়া হয়। কার কোনটা পছন্দ বলেন তো?
গ্রীন টি নিয়ে আমার অনেক ফ্যাসিনেশন। খুঁজে খুঁজে দেশ বিদেশী ব্র্যান্ডের গ্রীন টি ট্রাই করাটা শখের মত। তো অনেক শখ করে একটা টি ইনফিউজার কিনলাম, আয়েশ করে চা খাব বলে। অনলাইনে আনিয়েছি বলে ডেলিভারি পেয়ে ভারী খুশি
রান্নাঘরে একটা কাপে ঝুলিয়ে রেখে দিলাম, পরদিন আর খুঁজে পাইনা।
হেল্পিং হ্যান্ড কে জিজ্ঞেস করতেই বলল, এইডা কি জিনিস আমি বুঝিনাই, ফালায় দিসি। যাইহোক অনেক কষ্ট করে পরে উদ্ধার করা গেছে তাকে।
গতকাল সারারাত লুজ মোশন এর ভোটে মিনিমাম ১৫ বার গেসি আসছি....এত দুর্বল আমি...চা এর সাথে ভালো ফটোগ্রাফি ও নাই...
তাতে কি...আমার WSIF এ কন্টেস্ট হচ্ছে...আমি পার্টিসিপেট করব না!!!!তাই হয়????তাই এই আউলা ঝাউলা ছবিই দিয়ে দিলাম...
খুব সম্ভবত আমার টা সবচেয়ে Worst pic হবে....তাতে কি....অংশগ্রহণ ই বড় কথা....কি বলেন আপারা
চা নিয়ে গল্পের শেষ নাই।আর চা খেতে নিলেই মনে হয় একটা ছবি তুলি।প্রথম ছবিটা কোনো একদিন এভাবেই তোলা।
আর দ্বিতীয় ছবির কাপ গুলো আমার এত পছন্দ হয়েছিল। আমি কোলকাতা থেকে হাতে করে বাংলাদেশে এনেছিলাম।
চা মানেই ভালোবাসা।
চা, কফি দুইটাই আমার অনেক পছন্দের, যখন তখন চা /কফি খেতে পারি, ঠিক আব্বুর মত। এই অতি সাধারণ চা'টা আম্মুর বানানো। আমি আর আব্বু একসাথে খাবো বলে বানিয়ে দিয়েছিলো। আমিও কেনো যে ছবি তুলে রাখলাম! আর যে এমন চা খাওয়ার দিন আসবে না তাই হয়তো!
চা/ কফি খেতে গেলে আরাম খুঁজি কিন্তু আমার কত দুঃখও যে লুকিয়ে যে আছে এর মাঝে!
চা আমাদের পরিবারের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। আমার আম্মার দিন শুরু হয় দুধ চা দিয়ে। ঠিক সেই অভ্যাস আমাদের মধ্যে বংশানুক্রমে এসেছে। নানুর কাছে শুনেছি তাঁদের আমলে নাকি যে বাড়িতে চা খাওয়া হয়না সে বাড়িতে তারা ছেলে/মেয়ে বিয়ে দিতো না। কিন্তু আমার অবশ্য এখন আদা লেবু দিয়ে লাল চা খেতে ভালো লাগে বেশি। ইউনিভার্সিটিতে থাকতে বান্ধবী Raihana Karim রুবার সাথে এই চায়ের অভ্যাস। সেদিন রুবার কথা ভাবছিলাম এই চা বানানোর সময়। এক কাপ চায়ে আমাদের গল্প কখনই শেষ হতো না। ৩/৪ কাপ খেতে খেতে গল্পের মাঝখানে আসতাম আমরা।
তোমাকে অনেক মনে পড়ে রুবা মনি।
ছবিটা তেমন কোন আহামরি ছবি নাও লাগতে পারে প্রথম দেখায়... মনে হতে পারে এ আর এমন কি ছবি! একটা চায়ের কাপে রঙ চা শুধু.... কিন্তু এই ছবিটা এই চায়ের কাপটা আমার জন্য অন্যরকম ভালবাসার ছবি... এর স্বাদ সুমধুর...আমার চাকরিজীবনের প্রথম চা। ওয়ান ব্যাংক লিখা খচিত এই চায়ের কাপটা যে আমার জন্য কত দামি আমি বুঝাতে পারবোনা..জীবনের নতুন একটা ধাপ, নতুন একটা অনুভূতি, প্রতিটা চায়ের চুমুকে মনে পড়ে যে এখন আমি চাকরিজীবী...
শুধু বেলাদের কেন আজ আমিও বলবো চাকরিটা আমি পেয়ে গেছি ওগো শুনছো
ছোট বেলায় সকালে পড়তে বসলে আব্বু আম্মুর থেকে লুকায় বাসার সামনের টং থেকে চা কিনে এনে খাইতাম।অনেক বার ধরাও পরসি আব্বুর কাছে।
মধ্য রাতে বাসায় সবাই যখন গল্প করতে বসতাম,চা বানানোর কাজ টা আমার উপরেই পরতো সবটা সময়।চা এর প্রতি ভালোবাসা টা সেই তখন থেকেই। ডায়েটিশিয়ান আমাকে বহু বার আ দুধ চা খেতে নিষেধ করলেও আমি আমার মত করে দুধ চা কে মডিফাই করে বানায় ফেলি,ব্যাপার টা এমন জীবন যাবে তবু দুধ চা খাওয়া থামাবোনা।এখন ও মাঝরাতে এমন কি যখন মন চায় চা বানায় ফেলি।
মন খারাপ,মেজাজ খারাপ,কান্না পাচ্ছে,ভালো লাগছেঃ সব কিছুতেই চা আমার নিত্য সংগী।
ছোটবেলা থেকে বিয়ের আগে পর্যন্ত আমার কাছে চা মানেই ছিল আব্বু আম্মুর সাথে সকাল সন্ধ্যার আড্ডা।আর খালামনিরা আসলে তো চা আড্ডা চলত দিনভর।
আর এখন বিয়ের এক বছরের মাথায় এই কোভিড টাইমে একা হাতে ছোট্ট বেবি আর সংসার সামলে এই এক চা খাওয়ার মুহুর্তটাই সারাদিনে একমাত্র আমার একান্ত নিজের সময়।চা হাতে সময়টা শুধুই আমার নিজের।
আমি চা কফি এতটাই পাগলের মত পছন্দ করি, যে এমনও আছে দুধ চা হয়তো কিছুটা বাকি থেকে গেলে সেটার সাথে কফি মিশিয়ে খেয়ে ফেলি।প্রায় ১ বছর ধরে ওয়ার্ক ফ্রম হোম আর মায়ের সুরক্ষার কথা চিন্তা করে বাসায় আছি, সেইখানে সারাদিন অজস্র কাপ ভর্তি চা আর কফি চলতেই থাকে, তাতে আবার মাঝেমধ্যে যোগ হয় নিত্যনতুন মশলা স্বাস্থ্য সচেতন হওয়ার চেষ্টায়, আর আমার এই জীবনধারা জেনে আমার এক বন্ধু আমার নাম খোদাই করা এই মগটা উপহার দিয়েছে, কাজের ফাঁকে পড়ন্ত বিকেলে চা খেতে খেতে এই পোস্টটা করতে গিয়ে কেমন যেন নির্ভার, সুখী সুখী মনে হচ্ছে নিজেকে
চা আমার জীবনীশক্তি, যখনই চা নিয়ে বসি, তখনই মনে হয় ওই সময়টা কেবল আমারই, কেবলই আমার!
এক কাপ ,শত কাপ, হাজার কাপ চায়েও আমি কাউকে চাই না....
সারাদিনে আমি তিন থেকে চার মগ চা পান করি যে মগের ধারণক্ষমতা দুই কাপের কিছু বেশি।
চা-ই-জীবন, চা-য়েই হোক জীবন, চা-য়েই হোক ভালোবাসা....
কন্টেস্ট হলে অংশগ্রহণ না করে কি হয় বলেন তাও আবার আমার মতো চাপ্রেমি একজনের!! ভাবলাম গিফ্ট না পেলেও কিছু হবে না...আপনাদের সাথে যোগ দিলাম..সুন্দর কিছু পোস্ট দেখলাম, ছবি দেখলাম। এটাতেই খুশি আমি!!!
এক চাপ্রেমি থেকে গ্রুপের সকল চা/কফি প্রেমিদের জন্য ভালবাসা
তাই আজকে চায়ের প্রতি ভালোবাসাটা এইটুকুই থাকুক।
অন্য কোনওদিন নাহয় অন্য গল্পগুলোও বলে যাব।
When I was growing up, my mother used to wake me up for fajr and following that she used to make two cups of plain black tea without milk & sugar and had it with a toast biscuit. Upon her insistence, I used to take a cup and see her calm face while she enjoyed her tea and the sun uprising. Back then, I simply failed to understand the happiness she had within her while taking merely tea! But as a matter of fact, when I had to grow up and part with her to invoke my own life, this came along with one of the things I miss about her. It's been 13 years my father left us. Since then, my mother taught me to continue taking big steps alone, she taught me to be strong as well as to be delicate within. She inspired me through and through to carry on with the good taste of life like my father had, and I inherited a lot of traits from my mother too. So my love for tea is not all of a sudden, it kind of grew on me. My mother didn't fancy it. I gracefully walk through it.
I'm just sharing not for contest.
Just to share my thoughts.
I prefer to energise myself after the long hectic day.
I like my 'tea' photography.
ভালোবাসি বিভিন্ন ফ্লেভারের চা চেখে দেখতে, ভালবাসি এইসব মুহূর্ত আগলে রাখতে
শেষ প্রহরের চায়ের গল্প
সেই ছোট্ট বেলা থেকে দেখে আসা, আমার পুরো পরিবার চায়ের ভক্ত। আব্বুর দিনে অনেক কাপ চা খাওয়া আর তার সাথে আব্বুর অনুরোধে আম্মুর আমাকে ছোটো বেলাতে অল্প করে চা দেওয়া থেকে চা খাওয়া শুরু।
একটু বড় হতেই চা বানানো শুরু আর এখনো মনে পড়ে আব্বুর ডাক যে, নিভি মা এক কাপ চা করে দাও।
আব্বু হয়তো নেয় তবু তার স্মৃতি আর সেই একসাথে চা খাওয়ার গল্পগুলো এখনো অমলিন।
সেই চায়ের প্রীতি আমাদের সুদূর চেন্নাইতে গিয়েও ছিলো, যার জন্য দিনে কয়েক বার শুধু তাদের টি স্টল এর চা খেতেই নামতাম আমরা। এইখানে নিচের ছবিতে আমার পুরো পরিবার চা হাতে।
জীবনের অনেক ছোটো আর সুন্দর মুহূর্তের মধ্যে, প্রিয়জনদের নিয়ে হাসি আনন্দে মেতে উঠা চায়ের আড্ডাটাই আমার বেশি প্রিয়।
অফিসের কাজের ফাঁকে,
গরম গরম আদা-লেবু চা ...
TSC এর আড্ডায়,
অপরাজিতা কিংবা মরিচ চা...
নতুন খোলা কফিশপে,
হঠাৎ পাওয়া Turkish চা...
বেলা - অবেলায়-সারাবেলায়,
আয়েশী আমেজে দুধ-চা।।।
চা ছাড়া কি জীবন চলে, বলুন তো !!
Cha r contest cholce r ami participate korbo na ta ki hoy jai hok ami ekjon cha lover no doubt cha ekta valubasha shokal ta amr cha kheye strt kore thaki r cha khete na parle matha hang hoye thake. kono kaje concentrate dite pari na jeikhanei jbo ghute cha khaboi niche jei pic gulo diyechi shedin matro koalkata te pouchechilam r cha r matir cup dekhe different legechilo tai na kheye r thakteo parlm na ki j aram lagchilo kheye ahaaaaa amr sathe amr group mate ro khete aschilo
R kichu na likhi pura essay hoye jaccheashole cha lover to likha shes hobe na
সকালের ধোঁয়া উঠা এক কাপ চা মনকে সতেজ করতে আর কি চাই
ক্যাননে তোলা।
টি টাইম আমার খুব ভাল লাগার একটা সময় । অন্তত সন্ধ্যায় খুব আয়েশ করে চমৎকার কোন মগে মগ ভর্তি চা না হলে আমার মনেই হয় না চা পান করেছি ।
নতুন ধরনের চা টেস্ট করা আমার শখ । সব সময় সেই সুযোগ অবশ্য হয়ে উঠে না । অনেকদিন চায়না থাকার সুবাদে অবশ্য অনেক ধরনের নতুন স্বাদের চা টেস্ট করার সুযোগ আল্লাহ করে দিয়েছেন ।
আজ যেই চা নিয়ে লিখবো এটির চাইনিজ নাম 八宝茶 Eight Treasure Tea।চইনিজ চা এর মধ্যে সব থেকে পছন্দের চা।এটি একটি চীনা ভেষজ চা যা ৮ টি উপাদানের একটি বিশেষ মিশ্রণযুক্ত। পছন্দ অনুসারে উপাদানগুলির পরিমাণ কম করে বা সমন্বয় করা যায় ।চাইলে প্রতিটি উপাদান আলাদা করে কিনেও নেয়া যায় কিন্তু আমি একটা হালাল রেঁস্তোরা থেকে রেডি প্যাকেট কিনে নিতাম ।
উপাদান : Dried Red dates, Ginseng slices , chrysanthemum,Wolf berries, dried longan , rose buds, rock sugar ,green tea
রেসিপি : ভিষন সহজ , একটা টিপটের মধ্যে সব উপাদান দিয়ে এর মধ্যে গরম পানি দিয়ে ভিজিয়ে রাখতে হবে কমপক্ষে ১০ মিনিট । এর পর দলবল নিয়ে গরম বা ঠান্ডা যার যেমন ইচ্ছে পান করুন।
বি:দ্র:এই চা একবার ভিজালে ২ দিন ধরে পান করা যায় । পানি শেষ হয়ে গেলে কেবল গরম পানি এ্যাড করতে হবে ।ব্যাস ।
চা আমার কাছে একটা ভালোবাসার নাম।খুব ছোটবেলায় নানার পিছনে পিছনে চা স্টলে যেতাম যদি একটু চা পাওয়া যায় এই আশায়।তার কাছে থেকেই চায়ের নেশায় পরা। প্রচন্ড চা প্রেমী আমার নানা আমাদের মাঝে আর নেই কিন্তু নেশাটা আমাদের মাঝে রয়েই গেছে। যখন খুব একা থাকতে ইচ্ছে করে তখনো এক চায়ের সঙ্গ যেমন ভালো লাগে তেমনি তুমুল আড্ডাতে তো কথাই নেই। চা ভালোবাসা।
ভাই আমি ভয়াবহভাবে চা প্রেমী কিন্তু আমার জামাই চা বিদ্বেষী। আমার স্কিনে কোনো ব্রেক আউট হলেই সে আমার চা খাওয়ার উপর দোষ দিতে থাকে, তার ধারণা চা সকল অসুখের মূল
এই দুঃখের কথাটাই লিখলাম। কোনো আনন্দের কথা মাথায় আসতেসে না। চা খাওয়ার অভ্যাশ মনে হয় সেই একদম গেদি অবস্থা থেকেই হয়েছে যখন আম্মুর কাপ থেকে লেফট ওভার চা খেতাম। এরপর ক্লাস টু বা থ্রি থেকে আমি সবকিছুর আগে চা বানানোই শিখসি।
আমার একটা মারাত্মক খারাপ অভ্যাস হচ্ছে অন্যের বানানো চা আমার পছন্দ হয়না। নিজের কিছু মেজারমেন্ট আছে দুধ আর চাপাতার। সেই মেজারমেন্ট অনুযায়ী চা না হলে মেজাজ বিগড়ায় যায় আর সারাটা দিন খারাপ কাটে।
চা নিয়ে ভয়েই পোস্ট দেইনাই! এত আবেগের জায়গা আর এত কিছু বলার আছে, চা নিয়ে পছন্দসই ছবিও কম না! কি ছেড়ে কি বলি, আর কি দেই! তাও খুব ইচ্ছা হল
এক লাইনে বলতে গেলে দিনের পর দিন আমি যখন নিজেকে জিজ্ঞেস করেছি আজকের দিনটা আমি কেন দেখব, কেনই বা সকালের অপেক্ষা করব, কি লাভ! এর পর নিজেই নিজেকে মোটিভেট করেছি এই বলে যে চা খেতে পারবোতো! এতটাই সেল্ফ কাউন্সেলিং এর অংশ এই চা! আমার ভালবাসার আর আমার মন্দবাসার সাক্ষী এই চা! বিভিন্ন রকম চা সংগ্রহ করা তো আমার নেশা বলা যায়!
বাই দ্যা ওয়ে, বিয়ের পরে দেখি আমার বোনসম জা ও আমার মত চা পাগল, এর থেকে আরামের আর কি হতে পারে!
এই ছবি দুইটা খুব আদরের, এই ছবি নিয়ে কিছু বলতে পারবোনা গলা ধরে যাবে, শুধু ভালবাসা আর অপেক্ষা !
চা!!! আমার কাছে একটা অনুভূতি, একটা ভালবাসা। সারাদিনের কাজ-কর্মে যখন ক্লান্তি, অবসাদ আমাকে চারপাশ থেকে ঘিরে ফেলে তখন এক কাপ চা ই পারে আমাকে মুক্তি দিতে, সবকিছু ভুলে পরের দিনের যুদ্ধের জন্য আবার তৈরি হতে। মেজাজ যখন খুব খারাপ থাকে তখন চা আবার mood elevator হিসেবে কাজ করে।
আসলে আমার মাথাব্যাথায় চা লাগে, মন খারাপে চা লাগে, ক্লান্তিতে , মন যখন খুব ভাল থাকে মানে সবসময় চা চাই। তবে যত যে চা ই খাই না কেন, নিজের হাতের বানানো চা ই আমার সবচেয়ে প্রিয়
ডায়েট করি কিন্তু দুধ-চা বাদ দিতে পারি না।
Tea is not just a drink, it’s an emotion to me. That’s why my cups and my tea tables everything comes on count. During the COVID year my morning tea have become the most soothing moments of my day. My husband and I talk , plans for the day with our cups in hand and it’s became such a necessary habits. Amidst of such an abnormal situation we two remain so calm and I think our tea moments created our bonds more strong. We realised how important is it to listen each other! Let’s give us a little more time between all the deadlines and crazy responsibilities. And at the end it’s companionship that mattered.
আমি একজন কট্টর কফিপ্রেমি।
আমি কাজ করা শুরু করতে পারি না , যতক্ষণ না আমার কফিটা কাজ করা শুরু করে। দিন শুরু হয় আমার ধোয়া উঠা কফির গন্ধে আর স্বাদে।
কফির গন্ধ টানে আমাকে। নানা দেশের নানান কফি । এক এক টা এক এক স্বাদ। কত শত স্মৃতি এই কফির খাওয়ার!
অনেক ছবি, একত্রিত করতে না পেরে অগত্যা এই স্লাইড কম্পাইলেশন , এটাতেও লিমিট থাকার জন্য বাকি ছবিগুলো যোগ করা গেলনা।
দুঃখ।
Tea/ coffee is something I can have whenever I am offered or I want. Abbu used to say the person who doesn't have them are not social, it's a part of face to face conversation . This tea is made by Khala of OT complex of my working place, Burn institute near DMCH. One of best teas I have ever had. I am truely what is called "Cha Khor
চা নিয়ে সবাই অনেক গল্প কইরে ফেলসেন, আমার চা খাওয়ার হিস্ট্রি সেই বিরাট!এক আপুর গল্পে আমারটা খুজে পাইসি,সেই পুচ্চিকালে সবার পিছে ঘুরা চা খাওয়ার সমত আর জিজ্ঞেস করতাম কেউ কি আমাকে ডাকসো?!
একদম খালার মতন দুস্টু হইসে আমার পাখিটা,তিন মাস বয়স থেকেই আমার চা খাওয়া দেখেই হা করে থাকতো সোনাটা!এখন তো নিজেই চা চা করতে করতে মাথা খায়!বুঝেন তাইলে কেমন চাখোর ফ্যামিলি আমরা
Rose Tea Latte!
Tea is something that doesn't goes to my stomach, it goes directly to my heart.!
Black sea র সাথে এক কাপ চা।
অনেকেই বলে আমার চা খোর গুশঠী
কখন যে কবে থেকে শুরু মনে নেই।
চা আমার কাছে প্রেমিক এর মত।
একটা অনুভূতি, একটা ভালবাসা, কিছুই ভালো লাগছে না তো এক কাপ চা হয়ে যাক।
সারাদিনের কাজ-কর্মে ক্লান্তিতে ও এক কাপ চা।
চা ছাড়া আমার চলেই না।
For me-A cup of Tea means A cup of Peace
From Sri Lanka to Sylhet: we have covered the destinations of tea over the course of 2019. Tea is something that has strengthened our bond, no matter what form. It evokes conversation, deep intellectual thoughts and reminiscence of good old times. It’s been an activity that we tried out together during our travelling adventures in 2019 as well as a way to wind down during work from home sessions in 2020.
চা নিয়ে আমার ছোটবেলার বহু কাহিনী আছে। সেগুলো আপাতত তোলাই থাকুক। সবাই বরং এখন চা-পাগল মা’র চা-পাগল ছেলেকে দেখুক..