মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি যত্নশীল হওয়া প্রতিটি মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিশেষ করে একজন শিক্ষার্থীর জন্য। কারন মানসিক সমস্যা শিক্ষার্থীদের কার্যকারিতা, একাডেমিক অগ্রগতি এবং কর্মক্ষমতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। গবেষনায় দেখা গিয়েছে যে মানসিকভাবে সুস্থ্য একজন শিক্ষার্থী তার পড়াশুনায় অনেক ভালো ফলাফল করে। কিন্তু পারিবারিক চাপ, পড়াশুনার চাপ, ইত্যাদির জন্য একজন শিক্ষার্থী মানসিক সমস্যার সম্মুখিন হতে পারে। আর করোনাকালীন সময়ে এই সমস্যাগুলো যেমনঃ অবসাদগ্রস্থতা, বিষন্নতা, হতাশা, একাকীত্ববোধ, মনোযোগের ঘাটতি, খাওয়ার ব্যাধি, আচরনগত ব্যাধি, ইত্যাদি আরও বেড়ে গিয়েছে।
কিন্তু আমরা কিছু ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এই সমস্যাগুলোর সমাধান করতে পারি। এর জন্য দরকার মানসিক সার্পোট। আমরা যদি বাড়িতে কিছু দক্ষতা অনুশীলন করাতে পারি তাহলে তারা এইসব মানসিক সমস্যা থেকে বেরিয়ে আসতে পারবে। যেমন
• যোগাযোগ (communication),
• আত্মপ্রণোদনা (self-motivation),
• বিশ্বাসযোগ্যতা (trustworthiness),
• শৃঙ্খলা (discipline),
• সৃজনশীলতা ও গাঠনিক চিন্তা (creativity and critical thinking),
• উপযোগিতা (adaptability)
• দায়িত্ববোধ (accountability)
• সমমর্মিতা (empathy)
মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা ব্যবস্থাপনায় ইউনেস্কো এইসব দক্ষতার উপর জোর দিয়েছে। সার্বিক দিক বিবেচনা করে শিক্ষার্থীদেরকে মানসিক স্বাস্থ্যর সুরক্ষা নিশ্চিত করতে পরিবার, শিক্ষক অথবা সরকারকে এগিয়ে আসতে হবে। প্রয়োজন বোধে শিক্ষার্থীদেরকে মনোরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে। আসুন আমরা সবাই মিলে শিক্ষার্থীদের পাশে থেকে তাদের মানসিক সুস্থতা রক্ষা করে, একটি নতুন স্বাভাবিক শিক্ষা ব্যবস্থার পদযাত্রা সূচনা করি কারণ এরাই আমাদের ভবিষ্যৎ।