You are currently viewing Social anxiety disorder

Social anxiety disorder

  • Post comments:0 Comments

আমরা অনেকেই দৈনন্দিন বিভিন্ন কাজে যেমন স্টেজ এ পারফর্ম করা বা প্রেজেন্টেশন দেওয়া, নতুন কারো সাথে পরিচিত হওয়া, এমনকি শপিং এ গিয়ে বা পাবলিক গেদারিং-এর ক্ষেত্রেও ভয় পাই বা নার্ভাস ফিল করি। এই সামাজিক কাজগুলোতে অস্বস্তিবোধ এবং ভয় পাওয়াকেই Social Anxiety Disorder বলে। 

সামাজিক উদ্বিগ্নতার লক্ষনঃ

বমি বমি ভাব, অত্যাধিক ঘামা, লজ্জা পাওয়া, হাত পা কাঁপা, কথা বলতে অসুবিধা হওয়া, দ্রুত হার্ট রেট বেড়ে যাওয়া, মাথা ঘোরা বা কোন কিছু চিন্তা করতে না পারা ইত্যাদি। 

সামাজিক উদ্বিগ্নতার কারণঃ 

এই সম্ভাব্য কারনে সামাজিক উদ্বিগ্নতা হতে পারেঃ বুলিং এর শিকার হওয়া, যৌন নির্যাতন এবং হয়রানির শিকার হওয়া, পারিবারিক দ্বন্দ্ব, পিতামাতার অত্যধিক শাসন বা অ্যাবিউসিভ প্যারেন্ট।

সামাজিক উদ্বিগ্নতার সমাধানঃ যদিও সামাজিক উদ্বিগ্নতা একদিনে কাটিয়ে ওঠা সম্ভব নয়, কিছু উপায় রয়েছে যেগুলো অনুসরণ করলে এই সমস্যাটি কিছুটা হলেও পরিত্রাণ পাওয়া সম্ভবঃ 

১. কাজে নিজের দক্ষতা বাড়ানোর চেষ্টা করুন

২. নিয়মিত ব্যায়াম করুন

৩. পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুম এবং স্বাস্থ্যকর খাদ্য গ্রহণ করুন 

৪. ক্যাফেইন জাতীয় খাবার যেমন, চা, কফি এড়িয়ে চলুন

৫. যে মানুষগুলোর সাথে আপনি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন তাদের সাথে বিভিন্ন সামাজিক প্রোগ্রামে অংশ নিন 

৬. নিজের অবসর সময়ে ভালোলাগার কাজ গুলো করুন, যেমনঃ পছন্দের বই পড়া, মুভি দেখা, বাগান করা, ভ্রমণ করা ইত্যাদি

৭. পাবলিক স্পিকিং প্রাকটিস করুন

৮. যদি সুযোগ হয় তাহলে ভলান্টিয়ার হিসেবে বিভিন্ন অর্গানাইজেশনের সাথে কাজ করে নতুন মানুষের সাথে পরিচিত হন

সামাজিক উদ্বিগ্নতা কাটিয়ে আসলে অসম্ভব নয় কিন্তু এটির সাথে লড়াই করতে হলে আপনাকে চেষ্টা করে যেতে হবে। আপনি চাইলে একজন স্পেশালিষ্টেরও সহায়তা নিতে পারেন। আপনি যদি নিজের সাথে বা অন্য কারো সাথে এ বিষয়টির কোন মিল খুঁজে পান, তাহলে অবশ্যই আমাদের সাথে শেয়ার করুন।

Leave a Reply